শিরোনাম
পাবনা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৪২ বোতল ফেন্সিডিল সহ ১জন আটক মেয়র আরফানুল হক রিফাতকে কুমিল্লা ক্রীড়া পরিবারের সংবর্ধনা কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার নারীদের স্বাবলম্বী করতে সুনেহেরা ক্রিয়েশন এর বিনামূল্যে ওয়ার্ক সপ ফরিদপুরে ৪০ মন ওজনের কালাপাহাড় নামক গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ২৫ লক্ষ টাকা  কুমিল্লায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারীর দায়ের করা মামলায় ধর্ষক গ্রেপ্তার  জামালপুর রেলওয়ে ওভারপাসে আরো ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যয় দাড়ালো ৪৫০ কোটি টাকা ঢাবির ‘খ’ ইউনিটে প্রথম রাজেন্দ্র কলেজের নাহনুল কবির নুয়েল দেশের গন্ডি পাড়ি দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সম্মানিত তাহসীন বাহার মাদকাসক্তি রোধে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে হবে: জেলা প্রশাসক কুসিক নির্বাচনের বিজয়ী প্রার্থীদের গেজেট প্রকাশ
রাস্তার যানজট সম্পর্কে কীভাবে জানে গুগল ম্যাপ

রাস্তার যানজট সম্পর্কে কীভাবে জানে গুগল ম্যাপ

দৈনন্দিন জীবনে যাতায়াত ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে গুগল ম্যাপ। অজানা গন্তব্যে যাওয়া কিংবা কোনো একটা স্থানে যেতে সবচেয়ে সহজ রাস্তা ব্যবহার করা ও সেই রাস্তার যানজট, বাধা বিঘ্নসহ অন্যান্য বিষয় অবগত করার কাজ করে গুগল ম্যাপ। গুগল ম্যাপে কোনো রাস্তা লাল দেখানো মানেই সেই রাস্তায় যানবাহন চলাচলের গতি অত্যন্ত ধীর। কিন্তু কীভাবে এত হাজার হাজার রাস্তার যানবাহনের গতিবিধিতে সরাসরি নজর রাখে গুগল?

 

পৃথিবীতে আপনার সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি যদি কেউ জেনে থাকে তা হলো গুগল। গুগল এমন কিছু জানে যা আপনি নিজেই হয়তো জানেন না বা খেয়াল রাখেন না।

ইন্টারনেটের যুগে সহজ হয়েছে দৈনন্দিন জীবন। লেখাপড়া থেকে কেনাকাটা, অফিসের কাজ থেকে সরকারি কাজকর্ম ডিজিটালের জন্য সবই এখন হাতের মুঠোয়। এর মধ্যে এবার গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলে আপনার যাত্রাপথ আরও সহজ করে দেবে গুগল। কারণ, গুগল ম্যাপেই দেখে নিতে পারবেন কোন রাস্তায় কেমন জ্যাম।
২০০৯ সাল পর্যন্ত সংস্থাটি বিভিন্ন রাস্তার ওপর থাকা স্থায়ী প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তথ্য সংগ্রহ করত। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ওপর গাড়ির গতি মাপার যন্ত্র থাকে। পাশাপাশি থাকে ক্যামেরাও। সেই সময় এই ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে যানবাহনের গতিবিধির হার পর্যবেক্ষণ করে বিভিন্ন রাস্তায় যানজটের তথ্য দিত সংস্থাটি। কিন্তু এই পদ্ধতিতে বেশ কয়েকটি অসুবিধা ছিল। একে তো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ছাড়া অধিকাংশ সড়কেই এ ধরনের গতি মাপার যন্ত্র ও ক্যামেরা ছিল না। উপরন্তু এভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে সময়ও লাগত বেশি।
২০০৯ ও ২০১৩ সালে অ্যালফাবেট বা গুগল কর্তৃপক্ষের তরফে এমন কিছু আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয় যা বদলে দেয় পুরো ব্যবস্থাটি। রাস্তার ওপর থাকা যন্ত্রের বদলে স্মার্ট ফোন ও যানবাহনের থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ শুরু করে তারা। কাজে লাগানো হয় জিপিএস পদ্ধতি। 

এখন গুগল ম্যাপসহ অধিকাংশ অ্যাপ ব্যবহার করতে চাইলে চালু করতে হয় ফোনের ‘লোকেশন’। যখন আমরা নিজেদের অবস্থান বা লোকেশন চালু করি, তখন সেই তথ্য সরাসরি চলে যায় গুগলের সার্ভারে। একইভাবে স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারী অসংখ্য মানুষের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য প্রতিনিয়ত জমা হতে থাকে গুগলের কাছে। পাশাপাশি এখন অধিকাংশ গাড়িতেও এই ব্যবস্থা থাকে। সংস্থাটি প্রযুক্তির মাধ্যমে খতিয়ে দেখে এই সব তথ্য। 

যদি দেখা যায়, একটি রাস্তার ওপর যত মানুষ যাতায়াত করছেন তাদের সকলের অবস্থানই দীর্ঘক্ষণ বদল হচ্ছে না অথবা ধীর গতিতে বদল হচ্ছে, তখন প্রযুক্তি জানিয়ে দেয় যে সংশ্লিষ্ট রাস্তায় যান চলাচলের গতিবেগ খুবই কম। ফলে এই সময় গুগল ম্যাপে রাস্তার রং হয়ে যায় লালাভ। যা আপনাকে জানান দেয় রাস্তার ট্যাফিক জ্যাম সম্পর্কে।
এই পদ্ধতি ছাড়াও আরও হরেক রকমের পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রযুক্তিকে আরও নিপুণ ও সুবেদী করার চেষ্টা করে চলেছে গুগল। শোনা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে অসংখ্য ক্ষুদ্রাকৃতি উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে ম্যাপের তথ্যকে আরও নিখুঁত করতে চায় তারা।

সূত্র: আনন্দবাজার

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY SmartHostBD.com